আমরা q44-এ বিশ্বাস করি যে প্রতিটি বাংলাদেশি বেটারের প্রাপ্য একটি সৎ, নিরাপদ এবং রোমাঞ্চকর বেটিং অভিজ্ঞতা। সেই লক্ষ্যেই আমাদের যাত্রা শুরু — এবং সেই পথেই আমরা প্রতিদিন এগিয়ে চলেছি।
বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং নিয়ে মানুষের আগ্রহ অনেক আগে থেকেই ছিল। কিন্তু ভরসার জায়গা খুঁজে পাওয়া কঠিন ছিল। অনেক প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে তৈরি হয়নি — বাংলায় সাপোর্ট নেই, মোবাইল ব্যাংকিংে পেমেন্ট নেই, উইথড্রতে দিনের পর দিন অপেক্ষা। এই সমস্যাগুলো নিজেরা টের পেয়েই আমরা q44 তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।
q44 শুধু একটা বেটিং ওয়েবসাইট না — এটা বাংলাদেশের লক্ষো খেলাধুলাপ্রেমীর জন্য একটা নিজস্ব জায়গা। এখানে ক্রিকেটের গলি থেকে ফুটবলের মাঠ, টেনিস কোর্ট থেকে ই-স্পোর্টসের স্ক্রিন — সব কিছুতেই বাজি ধরা যায় নিজের ভাষায়, নিজের পেমেন্ট পদ্ধতিতে।
আমাদের প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই তিনটি মূলনীতি মেনে চলেছি — স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা, এবং দ্রুততা। আপনি q44-এ বাজি ধরলে জানবেন অডস কীভাবে হিসাব হচ্ছে, জানবেন আপনার টাকা কোথায় আছে, এবং জেতার পর কয়েক মিনিটের মধ্যে মোবাইল ব্যাংকিংে পেয়ে যাবেন। এটা আমাদের কথা না — এটা আমাদের লক্ষো সদস্যের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা।
q44 টিমে আছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, ক্রীড়া বিশ্লেষক এবং কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধি — সবাই বাংলাদেশের বাজার ও সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীরভাবে জানেন। তাই q44-এ কোনো ম্যাচ বা ইভেন্ট দেখলে মনে হবে যেন কেউ আপনার কথা মাথায় রেখেই ডিজাইন করেছে।
q44 আন্তর্জাতিক গেমিং কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত হয়। আমাদের সকল লেনদেন এনক্রিপ্টেড এবং স্বাধীন অডিটের মাধ্যমে যাচাই করা হয়।
q44 বেট বিভাগে ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস, বাস্কেটবল, হকি এবং ই-স্পোর্টস সহ ৩০টিরও বেশি ক্যাটাগরিতে বাজার রয়েছে। লাইভ ক্যাসিনোতে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের জন্য পরিচিত গেম — তিন পাত্তি, আনদার বাহার, এবং বাকারা পাওয়া যায়। গেম লবিতে শত শত স্লট ও টেবিল গেমের সমাহার।
আমাদের পেমেন্ট ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্থানীয়। মোবাইল ব্যাংকিং, নগদ এবং রকেটের মাধ্যমে মাত্র ৳৩০০ থেকে ডিপোজিট করা যায়। উইথড্রের ক্ষেত্রে আমাদের গড় প্রসেসিং সময় মাত্র ৩ মিনিট — বাংলাদেশের বেটিং শিল্পে এটি একটি রেকর্ড। q44 বিশ্বাস করে যে আপনার জেতা টাকা যত দ্রুত সম্ভব আপনার হাতে পৌঁছানো উচিত।
দায়িত্বশীল গেমিংয়ে আমরা আপোস করি না। q44-এ নিজস্ব ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন এবং কুলিং-অফ পিরিয়ড সেট করার সুবিধা আছে। বেটিং যেন বিনোদনের উৎস হয়, আসক্তির কারণ না হয় — এটা আমাদের দায়িত্ব হিসেবেই দেখি। ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য q44 কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
SSL এনক্রিপশন, দুই স্তরের যাচাইকরণ এবং ২৪/৭ নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ — আপনার অ্যাকাউন্ট ও অর্থ সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।
অডস কীভাবে তৈরি হয়, কমিশন কত — সব কিছু খোলামেলা। লুকানো চার্জ বা শর্তের ফাঁদ নেই।
জেতার পর গড়ে মাত্র ৩ মিনিটে টাকা মোবাইল ব্যাংকিংে। দ্রুততা আমাদের প্রতিশ্রুতি, ব্যতিক্রম নয়।
বাংলায় সাপোর্ট, দেশীয় পেমেন্ট, বাংলাদেশ-কেন্দ্রিক বেটিং মার্কেট — সব কিছুই আপনার কথা ভেবে।
বেটিং যেন আনন্দের উৎস থাকে। আমরা সীমা নির্ধারণের টুল ও সচেতনতামূলক সহায়তা প্রদান করি।
আমাদের প্ল্যাটফর্মের বিশেষ সুবিধাগুলো যা আমাদের আলাদা করে।
q44 পুরোপুরি মোবাইল-বান্ধব। Android বা iOS যেকোনো ফোনে ব্রাউজার থেকেই পূর্ণ সুবিধা পাওয়া যায়। আলাদা অ্যাপ ডাউনলোডের ঝামেলা নেই।
বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিতে ডিপোজিট ও উইথড্র করুন। মাত্র ৳৩০০ থেকে শুরু, উইথড্র গড়ে ৩ মিনিটে।
বাংলাদেশ জাতীয় দলের ম্যাচে বিশেষ অডস বুস্ট ও একচেটিয়া বেটিং মার্কেট। ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন।
রাত ৩টায় সমস্যা হলেও আমাদের বাংলাভাষী সাপোর্ট টিম প্রস্তুত। লাইভ চ্যাট, ইমেইলে দ্রুত সাড়া পাওয়া যায়।
ম্যাচ চলাকালীন প্রতি মুহূর্তে অডস আপডেট হয়। লাইভ পরিসংখ্যান দেখে সঠিক সময়ে সঠিক বাজি রাখুন।
ওয়েলকাম বোনাস থেকে শুরু করে সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক, রিলোড বোনাস — q44-এ সদস্যরা নিয়মিত পুরস্কৃত হন।
q44-এর গল্প শুরু হয়েছিল একটি সাধারণ প্রশ্ন থেকে — বাংলাদেশে কেন একটা সত্যিকারের ভালো বেটিং প্ল্যাটফর্ম নেই? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই জন্ম নিয়েছে q44।
বাংলাদেশের বেটারদের কথা মাথায় রেখে q44-এর যাত্রা শুরু হয়। প্রথম দিন থেকেই বাংলা ভাষায় সম্পূর্ণ সেবা নিশ্চিত করা হয়।
বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতি সরাসরি প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়। উইথড্র সময় ৩ মিনিটে নামিয়ে আনা হয়।
লাইভ ডিলার ক্যাসিনো এবং ই-স্পোর্টস বিভাগ যুক্ত হওয়ায় q44 পূর্ণাঙ্গ গেমিং গন্তব্যে পরিণত হয়।
মাত্র তিন বছরে ৫ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য — বাংলাদেশে q44 দ্রুততম বর্ধনশীল বেটিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
আরও উন্নত লাইভ বেটিং, আরও বেশি স্থানীয় টুর্নামেন্ট কভারেজ এবং উন্নত বোনাস সিস্টেম নিয়ে q44 এগিয়ে চলেছে।
q44-এর পেছনে আছেন একদল নিবেদিতপ্রাণ মানুষ যারা বাংলাদেশের বেটিং অভিজ্ঞতা বদলে দিতে কাজ করছেন।
লক্ষো বাংলাদেশি বেটারের বিশ্বাসের সঙ্গী q44-এ যোগ দিন। প্রথম ডিপোজিটে ১০০% বোনাস এবং দ্রুততম পেআউটের অভিজ্ঞতা নিন।